বেশি দামেই কিনতে হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার
চট্টগ্রামে এলপিজির সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দিয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। অনেক এলাকায় লাইনের গ্যাসও নিয়মিত না থাকায় বাড়তি চাপ পড়ছে পরিবারের খরচে।
নগরের ষোলশহর, ২ নম্বর গেট, চকবাজার, আতুরার ডিপো ও টেকনিক্যাল এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে আগের তুলনায় সিলিন্ডার কিছুটা বেশি থাকলেও দাম কমেনি। টেকনিক্যাল এলাকার এক বিক্রেতা জানান, পরিবেশকের কাছ থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৫০০ টাকায় কিনে ১,৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১,৩৫৬ টাকা।
দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ লাখ টন। বাজারটি পুরোপুরি বেসরকারি আমদানিনির্ভর। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ৫২টি হলেও নিয়মিত আমদানি করে মাত্র কয়েকটি কোম্পানি। ব্যবসায়ীদের দাবি, গত বছরের শেষ দিকে আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব এখনো কাটেনি।
এলপিজির খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আন্তর্জাতিক বাজারদর সমন্বয় করে মূল্য ঘোষণা করা হলেও মাঠপর্যায়ে তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। নজরদারির অভাবের প্রশ্নও উঠেছে।
ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা বলছে, সিলিন্ডার থাকলেও চাহিদার তুলনায় কম। ফলে দরদামের সুযোগ নেই। বাড়তি দাম যেন অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে দোকানিরা বলছেন, পরিবেশক পর্যায়ে দাম না কমলে খুচরা পর্যায়ে কমানো সম্ভব নয়।
পরিবেশকদের দাবি, আমদানি ঘাটতির কারণে খরচ বেড়েছে। বাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে এবং রোজার মধ্যেই দাম কমতে পারে বলে আশা তাদের।