“স্বেচ্ছায় মেনে নেয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতোই ভোগ করা যায়।”
সুখ ও দুঃখ জীবনের অবিচ্ছেদ্য আপেক্ষিক অনুভূতি। কোনো মানুষই যেমন শতভাগ সুখী নয়, তেমনি কেউই সারাজীবন দুঃখের সঙ্গে বাস করে না। মনস্তাত্বিকরা বলছেন, সুখ ও দুঃখ কতটা প্রবল ও তীব্র তা কেবল মনের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।
বিশেষ করে মনের ধারণা ও মনের বাসনার ওপর সুখ ও দুঃখ বেশ খানিক নির্ভরশীল। ভেবে দেখুন, একই কাজে আপনি যখন দুঃখ পান, সেই একই কাজে কেউ না কেউ হয়তো সুখ পায়। আপনি যখন খেলার মাঠে হেরে গিয়ে কাঁদেন, ঠিক তখনই একই মাঠে দাঁড়িয়ে কেউ উল্লাস করে।
দুঃখকে বড় হতে দেয়া বোকামি। দুঃখের স্মৃতি ও দুঃখ খুব সহজেই মেনে নেয়া শিখে গেলে তা আর দুঃখ থাকে না। প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবচ্ছেদ না ভেবে, দুঃখের উৎস না খুঁজে, দুঃখকে বরং সহজে মেনে নিন, এতেই আপনার মাঝে হয়তো অনন্য এক সুখ বেড়ে উঠবে।
তাই হয়তো বাঙালির অন্যতম সেরা সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায় বলে গেছেন- “স্বেচ্ছায় মেনে নেয়া দুঃখকে ঐশ্বর্যের মতোই ভোগ করা যায়।”