‘জমিদার ভবন’ লিখে চবি শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও স্থানীয় এক নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। শনিবার দুপুরে তারা প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে দেয়ালে বড় করে লিখে দেন—‘নিয়োগ বাণিজ্যের জমিদার ভবন’।
শিক্ষার্থীরা জানান, শুক্রবার এক স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিদার দাবি করেন। আর তারা প্রশাসনিক ভবনে নিয়োগ বাণিজ্যের খবর পান। এ দুই ঘটনার প্রতিবাদে তারা এ কর্মসূচি নেন।
চবির বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সংগঠক ঈশা দে বলেন, সাত দফা দাবিতে আজকের কর্মসূচির অংশ ছিল এই প্রতিবাদী গ্রাফিতি। সহকারী প্রক্টর কোরবান আলী আপত্তি জানালেও শিক্ষার্থীরা দেয়ালে লিখে দেন।
গ্রাফিতি কর্মসূচিতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার হাটহাজারীর জোবরা গ্রামে আয়োজিত সভায় স্থানীয় জামায়াত নেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকার মালিক তারা, কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। শুক্রবার রাতেই তারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন।
সমালোচনার মুখে সিরাজুল ইসলাম পরে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।
চবি প্রক্টর ড. কোরবান আলী বলেন, শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রশাসন তাদের কথা শোনেনি। তাই প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তারা দেয়ালে লিখেছেন।