• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

ভুলে ভরা শাবিপ্রবির ওয়েবসাইটের তথ্য

ভুলে ভরা শাবিপ্রবির ওয়েবসাইটের তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় দাবিদার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটের 'APA Citizen Charter' ক্যাটাগরির সব তথ্যই ভুল। এ নিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তন হয়। এরপর দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি, প্রোভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রারসহ সব প্রশাসনিক কাঠামোতে রদবদল হয়।
এরই প্রেক্ষিতে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব রোখছনা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে শাবিপ্রবি নতুন ভিসি, প্রোভিসি ও কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয়।
নতুন দায়িত্তাবপ্রারাপ্তরা হলেন-ভিসি অধ্যাপক ড. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।
দায়িত্ব পেয়েই তারা রেজিস্ট্রার পদে মো. ফজলুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত করেন সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরকে। পাশাপাশি বিশ্বদ্যিালয়ের সব প্রশাসনিক পদে রথবদল করেন। পুরোনোদের বাদ দিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দেন। তড়িঘড়ি ভাবে দায়িত্ব ভাগাভাগির এক মাস হতে চললেও ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েভসাইটে তাদের নাম সংযুক্ত করা হয়নি।
এখনও বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটের 'APA Citizen Charter' ক্যাটাগরিতে ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ, প্রোভিসি হিসেবে অধ্যাপক করিব হোসেন, কোষাধ্যাক্ষ হিসেবে অধ্যাপক আমিনা পারভিন, রেজিস্ট্রার হিসেবে মো. ফজলুর রহমানের নাম রয়েছে। একইভাবে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক, প্রক্টর, ডিন, প্রভোস্টসহ সব তালিকায় পুরোদের নাম রয়েছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
দৈনিক আমরাই বাংলাদেশ-এর সম্পাদক তাহজীব হাসান তালুকদার বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জরুরী তথ্য প্রাপ্তির জন্য শাবিপ্রবির ওয়েবসাইটে দেওয়া দায়িত্ব অনুযায়ী উপ-রেজিস্ট্রার আ ফ ম মিফতাউল হককের নাম্বারে ফোন করেন। ফোনটি তাহমিনা হক নামে একজন রিসিভ করে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানান, তিনি এই দায়িত্বে নেই।
শুধু তাহজীব হাসান তালুকদারই নন, প্রতিদিনই এ রকম ফোন দিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য কর্মকর্তা ডেপুটি রেজিস্ট্রার আ ফ ম মিউতাউল হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এটি কম্পিউটার বিভাগ দেখেন।

এবি/জেএন

১০ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৩৯পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।