আইনের আওতায় যারা...
গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দলটির বেশিরভাগ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যান। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালিয়ে যাওয়ার পরদিনই বিমানবন্দর হয়ে দেশত্যাগ করার সময় কয়েকজনকে আটকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের খবর পাওয়া যায়। তবে, বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকের প্রথম খবরটি আসে ১৪ই অগাস্ট।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরেরদিন রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকা থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে আটকের কথা জানানো হয়।
শুক্রবার সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনকে ঠাকুরগাঁও থেকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার রাতে বারিধারা এলাকা থেকে আটক করা হয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনিকে। একই রাতে আটক করা হয় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়কে।
মঙ্গলবার রাতে সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল রাজধানীর বনশ্রী থেকে আটকের কথা জানিয়েছে।
একই এলাকা থেকে আটক করা হয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য আহমদ হোসেনকে।
সেদিনই কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিকে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতারের খবর আসে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা