• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান

পাবনার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান

পাবনার শ্রেষ্ঠ ইউএনও মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান

ছবি- ইউএনও মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনা জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। তিনি ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো তিনি শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মু: আসাদুজ্জামান ও সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা স্বাক্ষরিত তালিকা সূত্রে এ তথ্য গেছে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান শেরপুর জেলার সদর উপজেলার হেরুয়া তালুকপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন খান ও ফরিদা খানমের সন্তান। মোহাম্মদ নাহিদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ৩৪তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে যোগদান করেন।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান। দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মা সমাবেশ, বিদ্যালয় চত্বরে বাগান বিলাস বৃক্ষ রোপণ, ফুটবল বিতরণ, আশ্রয়ণ প্রকল্পের শতভাগ শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্তকরণ, শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞান আহরণের জন্য উন্মুক্ত লাইব্রেরী "নির্ঝরিণী" স্থাপন, উপজেলার মিস মেথুইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী শেণিকক্ষ নির্মাণ, সরকারি নিবন্ধনসহ ভাঙ্গুড়া ল্যাংগুয়েজ ক্লাব স্থাপনসহ প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থী সহায়ক নানা কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন ইউএনও মোহাম্মাদ নাহিদ হাসান খান।

এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে তিনি নিয়মিত বিশ্লেষণধর্মী সম্পাদকীয় ও উপ-সম্পাদকীয় লেখেন। যা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

পাবনা জেলাা শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। আমি রাষ্ট্র কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছি। আমার এই অর্জন উপজেলাবাসীর কৃতিত্ব। যে কোন ভালো কাজের স্বীকৃতি সেই কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে। সকলের সহযোগিতায় আমি এই উপজেলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:৩৫পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।