• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
কূটনৈতিক সফলতায় বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

ঘরে-বাইরে সমানে সমান শেখ হাসিনার সরকার

ঘরে-বাইরে সমানে সমান শেখ হাসিনার সরকার

ছবি- সংগৃহিত (প্রতীকী)

সেন্ট্রাল ডেস্ক

একটা সরকারকে সফল হতে হলে সকল ক্ষেত্রে সফল হতে হয়। এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব, রাজনীতি, বিদেশনীতি, অর্থনীতি, উন্নয়ন, মানবাধিকার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সব সরকারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। এসব মানদণ্ড বিবেচনায় দেশের বর্তমান সরকারকে সফল বলতে দ্বিধা থাকার কথা নয়। কারণ, দেশের ভিতরে-বাইরে, প্রশাসনিক কাঠামো; এমনকি স্থানীয় রাজনীতি, সব ক্ষেত্রে এই সরকারের আধিপত্য রয়েছে। এই আধিপত্য এমনি এমনি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিগত ১৫ বছরের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফল আজ বাংলাদেশ ভোগ করছে। এই সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন-স্থিতিশীলতাে এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্থায়ীত্ব, সরকার ও দেশকে একটি শক্ত ভিত দিয়েছে। করোনা মহামারী মোকাবিলা এবং বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মাথায় নিয়ে অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার চমক দেখিয়েছে।

সবচেয়ে বড় কথা, দেশে যে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে, সেটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চমক সৃষ্টি করেছে। এক সময়ের ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর আস্ফালন ছিল দেশে৷ এ সরকার সেই আস্ফালন নির্মুল করেছে। বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ নজির স্থাপন করেছে। জঙ্গী দমন, নাশকতা রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগ ও তার বাস্তবায়নের ফলে বৈশ্বিক রাজনীতি ও নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান দৃঢ় হয়েছে।

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে বেশ সফল হয়েছে। বিশ্বপরিমণ্ডলে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও শান্তির প্রতীক হিসেবে এরই মধ্যে শেখ হাসিনা সুনাম কুড়িয়েছেন। তারই নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এক সময়ের ক্ষুদ্র অর্থনীতির দেশ আজ আবির্ভূত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি ঢেলে সাজিয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে সুনির্দিষ্ট ভিশন নির্ধারণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বের কাতারে উন্নীত হওয়ার রূপকল্প ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আলোকে কার্যকর ও যুগোপযোগী সহায়ক নীতি গ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সরকারের নীতি ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপগুলো বিদেশি কূটনৈতিক মিশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরাম, সভা ও সেমিনারে তুলে ধরছে। বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দা থাকা সত্ত্বেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ‘বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দলিল’ হিসেবে ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এক ঘোষণার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করে ইউনেস্কো। যা কূটনৈতিক সফলতা বিবেচনায় বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক সাফল্য বটে। এ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির গৌরবময় অবদান ইতিহাসে চিরস্থায়ীভাবে ঠাঁই করে নেয়।

শেখ হাসিনা সরকারের সফল কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত স্থলসীমানা ও সমুদ্রসীমা শান্তিপূর্ণভাবে নির্ধারিত হয়েছে। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলসীমানা চুক্তি ১৯৭৪-এর প্রটোকল স্বাক্ষর এবং ২০১৫ সালে স্থলসীমানা চুক্তির অনুসমর্থন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সুদীর্ঘ প্রচেষ্টারই সুফল। ইন্সট্রুমেন্ট অব রেটিফিকেশন এবং লেটার অব মোডালিটিস স্বাক্ষরের মাধ্যমে তৎকালীন ১১১টি ভারতের ছিটমহল বাংলাদেশের এবং আমাদের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অংশ হয়ে যায়। ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে এর আগে নাগরিকত্বহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নাগরিকত্ব লাভ করে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ বিবেচনায় বৈশ্বিক পরিমণ্ডলেও পানিসম্পদবিষয়ক আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের আলোচনায় পানিকে অন্যতম ‘মানবাধিকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে মানবজাতির অস্তিত্ব সুরক্ষায় পানির অপরিহার্যতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। জাতিসংঘের পানিবিষয়ক ‘হাই লেভেল প্যানেল অন ওয়াটার’ (এইচএলপিডব্লিউ)-এর একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী সবার জন্য সুপেয় পানি সরবরাহ এবং পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার।

২০১৭ সালের ১৭-২০ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডের দাভোস শহরে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ৪৭তম বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো নির্বাচিত সরকারপ্রধান এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রিত হন, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরব ও মর্যাদার বিষয়। দাভোস আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কর্মক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত এবং শিল্প-কারখানাগুলোয় যথাযথ পরিবেশগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার সরকারের আন্তরিকতা ও গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। বার্ষিক এ সভা চলাকালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দ্য ইনক্লুসিভ গ্রোথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট ২০১৭-এ বলা হয়, উন্নয়নশীল ৭৯টি দেশের মধ্যে সুষম উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬। এ ক্ষেত্রে প্রতিবেশি ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ আজ বাংলাদেশকে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ভাষায় অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন, তার মতবাদ, তার ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মানুষের কাছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহুবিধ উদ্যোগের ফলে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম, বাংলাদেশের নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষা, বাংলাদেশের নীতি ও মূল্যবোধ এবং সে সঙ্গে এ দেশের সর্বকালের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতির ধারাবাহিকতায় স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন কূটনীতি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধসমৃদ্ধ বলিষ্ঠ পররাষ্ট্রনীতির অনুসরণে দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিবিড়করণসহ দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে কেন্দ্র করে নতুন ধরনের ভূ-রাজনৈতিক লড়াই বা প্রতিযোগিতা চলছে। সে প্রতিযোগিতা এবং বাংলাদেশের ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ফলে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে একটি নতুন পরিচিতি লাভ করতে পেরেছে।

শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব ও সফল কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে ২০১২ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা নির্ধারণসংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হয়। ঐতিহাসিক এ নিষ্পত্তিতে বঙ্গোপসাগরে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। বিরোধ নিরসনে বিরল এ পদক্ষেপ গ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে উপনীত হওয়ার এ নীতি আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্ব পরিমণ্ডলে প্রশংসিত করেছে। এ রায়ের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় সম্ভাবনাময় সব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ২০১৮ সালে ভারত ও চীনের সঙ্গে ‘ব্লু ইকোনমি’ এবং ‘মেরিটাইম খাতের মানোন্নয়নে সহযোগিতা’ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫-এর ১ ও ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত পররাষ্ট্রনীতিতে অন্য রাষ্ট্রের প্রতি বাংলাদেশের আচরণ, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান, জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা, মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক কথা ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ এবং ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থান’-এর ওপর ভিত্তি করেই বিশ্বে আজকের বাংলাদেশের সব কূটনৈতিক প্রয়াস। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করার জন্য একটি রাষ্ট্রকে স্বীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কৌশলগুলো নিরূপণ করতে হয়। আর এ কাজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দেশটির নেতৃত্বে থাকা দল ও নেতা।

না বললেই নয়, একটা দেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন নির্ভর করে দেশটির নেতৃত্বের রাজনৈতিক দর্শন ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে ওই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের মাত্রার ওপর। পররাষ্ট্রনীতির সফলতা শুধু শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির ওপরই নির্ভর করে না, পররাষ্ট্রনীতির সফল বাস্তবায়নের জন্য অবশ্যই একটি শক্তিশালী নেতৃত্ব থাকতে হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির আজকের উৎকর্ষ যে পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে, তার মূলে রয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, কূটনৈতিক অভিজ্ঞান, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক, বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যায় বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং বৈশ্বিক সার্বিক বিষয়ে তার দূরদর্শিতা। তিনি জাতির পিতার কন্যা হিসেবেই নন, একজন দেশপ্রেমিক এবং সাধারণ মানুষের নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবায়নে নতুন মাত্রা ও ব্যাপ্তি যোগ করে তাকে আরও শক্তিশালী, টেকসই, সম্প্রসারিত ও অর্থবহ করে তুলেছেন। যে কারণে বাংলাদেশ আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে একটি সম্মানজনক অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ উন্নয়নের এক রোল মডেল হিসেবে পরিচিত পেয়েছে।

শুধু বহুপক্ষীয় ক্ষেত্রেই নয়, দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আজকের অবস্থান ও ভাবমূর্তি যে উচ্চতায় আসীন, তার পেছনে কাজ করেছে শেখ হাসিনার দৃঢ়তা, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতা স্থাপনে পারদর্শিতা। তিনি অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিবিড় করেছেন পারস্পরিক সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ব বা বন্ধুত্ববোধকে যথাযথ মূল্যায়ন করে। আর এর মূলে ছিল সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, পররাষ্ট্রনীতির এই মৌলিক নীতির ওপর গভীর বিশ্বাস ও আস্থা থাকার কারণে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৩৭এএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।