• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১

বিস্ময় বৈচিত্রে নয়নাভিরাম ‘গ্রিনল্যান্ড’

বিস্ময় বৈচিত্রে নয়নাভিরাম ‘গ্রিনল্যান্ড’

ছবি- সংগৃহিত

ফিচার ডেস্ক

আপনি কি নিজের ওপর বিরক্ত? কোনো কিছুই ভালো লাগছে না? যদি নিরিবিলি কোনো পরিবেশ খুঁজে নিতে চান, তবে আপনার জন্যই রয়েছে দারুণ এক দেশ। যে দেশে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম। ঠিক তাই, গ্রিনল্যান্ডের কথায় বলছি।

উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝে দ্বীপ রাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড অবস্থিত। এটি ডেনমার্কের একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ডেভিস প্রণালী ও ব্যাফিন উপসাগর দ্বারা প্রাথমিকভাবে কানাডীয় সুমেরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে গ্রিনল্যান্ড।

গ্রিনল্যান্ড কেমন

এটিই পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ। এর সর্ব উত্তরের বিন্দু মরিস জেসাপ অন্তরীপ থেকে সর্ব দক্ষিণের বিন্দু ফেয়ারওয়েল অন্তরীপের দূরত্ব ২ হাজার ৬৬০ কিলোমিটার। অপরদিকে পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত সর্বাধিক দূরত্ব হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার।

এই দেশে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় মাত্র ৩ ঘণ্টা। বাকিটা সময় আধারেই ঢাকা থাকে গ্রিনল্যান্ড। এখানে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীতকাল বা শৈত্যপ্রবাহকাল থাকে। এখানে রয়েছে কালো অন্ধকারের মাঝে সাদা বরফের চাদরে আবৃত ভূমি, যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই।

গ্রিনল্যান্ডের নগরী

গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিম উপকূল জুড়ে বেশিরভাগ নগরী গড়ে উঠেছে। প্রাগৈতিহাসিক কালে পালেও ইস্কিমো গ্রুপের সময় থেকে গ্রিনল্যান্ড বসবাসের বাসযোগ্য হিসেবে আছে। কখনো নরওয়েজিয়ান ও আইসল্যান্ডের বাসিন্দারা এর পশ্চিম উপকূলবর্তী অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।

গ্রিনল্যান্ডের জানা অজানা

→ বরফের রাজ্য গ্রিনল্যান্ডে যাতায়াত ব্যবস্থা সুবিধাজনক নয়। অন্য দেশ থেকে গ্রিনল্যান্ডে সরাসরি যাতায়াতের তেমন কোনো ব্যবস্থাও নেই।

→ গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে ১৬টি বড় শহর। কিন্তু একটি শহর থেকে আরেকটি শহরে যাতায়াতের সু-ব্যবস্থা নেই।

→ স্থানীয়রা তাদের যাতায়াতের জন্য ছোট ছোট উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে।

→ এছাড়া এক শহর থেকে আরেক শহরে যাতায়াতে তারা নিজেদের তৈরি বিশেষ যানবাহন ব্যবহার করে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- স্লেজ, কায়াক এবং স্নো স্যু।

১২ মে ২০২৪, ০৪:২৫পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।