• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

আর্থ্রাইটিস গেঁটে বাত কমায় যে মসলা

আর্থ্রাইটিস গেঁটে বাত কমায় যে মসলা

প্রতিকী ছবি

ফিচার ডেস্ক

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে হলুদের ব্যবহার সুপ্রাচীন। ক্যান্সার প্রতিরোধেও হলুদ খুবই কার্যকরী। গবেষকরা বলছেন, কাঁচা হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা হলুদ পিষে রান্নায় ব্যবহার করলে তরকারির স্বাদও বেড়ে যায়। গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হলেও হলুদ মূলত মসলা। ক্যালরি, প্রোটিন, শর্করা, আঁশ, সুগার, আয়রন, পটাসিয়ামে ভরপুর এই মসলা আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত, ক্যান্সার, চর্মরোগ নিরাময়ে খুবই কার্যকরী।

কাঁচা হলুদের উপকারিতা

আর্থ্রাইটিস দূর রাখে: কাঁচা হলুদে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান আর্থ্রাইটিস দূরে রাখে। ওজন বৃদ্ধি ও পুষ্টিহীনতাজনিত কারণে দেহের জয়েন্টে জয়েন্টে এই ব্যথা হয়। কাঁচা হলুদ বেটে নিয়ে কুসুম গরম পানিতে গুলিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

বাতের ব্যথা দূর করে: কাঁচা হলুদ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল ও রাতে পান করুন। কয়েকবার এটি খেলে গেঁটে বাত বা অন্যান্য বাতের ব্যথা দূর হয়।

হজমশক্তি বাড়ায়: পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধিতে কাঁচা হলুদ খুবই কার্যকরী। গবেষকরা বলছেন, কাঁচালুদ খেলে পরিপাকতন্ত্র শক্তিশালকরে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: কাঁচা হলুদে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তকণিকা নিরাপদ রাখে। ফলে এটি নানা ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা: বলিরেখা, বয়সের ছাপসহ ত্বকের যেকোনো ধরণের সংক্রমণ নিরাময়ে কাঁচা হলুদ খুবই কার্যকরী। এছাড়া মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করতেও হলুদের জুড়ি মেলা ভার।

ওজন কমায়: দেহের ওজন বেড়ে যাওয়াপর জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী একধরণের টিস্যূ। কাঁচা হলুদ খেলে এই টিস্যূগুলোর বৃদ্ধি ঠেকানো যায়। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।

কীভাবে খাবেন হলুদ

পুষ্টিবিদরা বলছেন, বাজারের গুঁড়া হলুদে ক্ষতিকর ও রাসায়নিক উপাদান মেশানো থাকতে পারে। কাঁচা হলুদ খুবই নিরাপদ। প্রয়োজনে কাঁচা হলুদ শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।

জি নিউজে প্রকাশিত নিবন্ধে গবেষকরা জানিয়েছেন, একজন ব্যক্তির জন্য দিনে ৫০০ থেকে ১০০০ মিলিগ্রাম হলুদ খাওয়া নিরাপদ। তবে তা দিনে কয়েকবার হিসেবে ভাগ করে নিতে হবে। কোনো ভাবেই একবারে ২৫০ মিলিগ্রামের বেশি হতে পারবে না।

 

তথসূত্র: হেলথ লাইন।

১৩ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:৪৭পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।